একই জায়গায় দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৩ জনের! অবশেষে রাস্তা মেরামতিতে পুলিশের উদ্যোগ
গত ১ মাসে একই এলাকায় তিন জনের মৃত্যু। বারবার জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও লাভ হয়নি। বাধ্য হয়েই জাতীয় সড়ক ঠিক করলো পুলিশ। ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সোতশাল মোড় ও মহম্মদবাজার - সাইথিয়া রাস্তার আঙার গড়িয়া মোড়ে রাস্তার গর্ত বুজিয়ে রাস্তা মেরামত করলো মহম্মদবাজার থানার পুলিশ। তবে পুরোপুরি এই রাস্তা ঠিক না হলে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।
পথ দুর্ঘটনা রুখতে মহম্মদ বাজার থানা এলাকার বিভিন্ন রাস্তার গর্ত ভরাট করতে তৎপর মহম্মদ বাজার থানার পুলিশ। রাস্তা ভরাট করতে বন্ধুক-লাঠি ছেড়ে পুলিশ হাতে তুলে নিলেন কোদাল-বেলচা। ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর মহম্মদ বাজার থানা এলাকার সোতশাল বাস স্ট্যান্ডের জাতীয় সড়কের উপর তৈরি হয়েছে বিভিন্ন গর্ত, যার জন্য সংকটে যান চলাচল। ওই রাস্তার উপর দিয়ে যেতে গিয়ে চালকদের সম্মুখীনও হতে হচ্ছে ছোটো খাটো দুর্ঘটনার।
ওই গর্তে পড়ে আহত হচ্ছেন অনেক চালকই। মৃত্যুও হয়েছে বেশ কয়েক জনের পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে পাঁচমি থেকে আসা ভর্তি কিংবা খালি গাড়িগুলিকে রাস্তা ঘুরতে গিয়ে পড়তে হচ্ছে গর্তের মুখে। ঠিক তখনই ঘটছে বড় ছোট পথ দুর্ঘটনা। এর পরও দীর্ঘদিন ধরে নাজেহাল অবস্থায় পড়েছিলো সোতশাল বাস স্ট্যান্ডের রাস্তাটি। অন্যদিকে মহম্মদ বাজার থানার অন্তর্গত সাইথিয়ার আঙ্গারগরিয়া বাস স্ট্যান্ডের কাছেও রাস্তার অবস্থা একই।রাস্তা ঠিক করতে একদিনের জন্য বন্দুক-লাঠি ছেড়ে হাতে তুলেনেন কোদাল-বেলচা। ওই এলাকার সোদশাল বাস স্ট্যান্ডের কাছে থাকা গর্তগুলি নিজে হাতে ভরাট করে মহম্মদ বাজার থানার পুলিশ। অন্যদিকে সাইথিয়ার আঙ্গারগড়িয়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে থাকা গর্ত গুলিও নিজে দাঁড়িয়ে থেকে নিজে হাতে ভরাট করে মহম্মদ বাজার থানার পুলিশ।
ওই এলাকার এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান , "দীর্ঘদিন ধরে খুব বাজে অবস্থায় পড়েছিল রাস্তাগুলি । প্রতি মুহূর্তে লেগেই থাকত কোনও না কোনও দুর্ঘটনা। পুলিশের এই কাজে সত্যিই খুব উপকার হল সাধারণ মানুষের। বিশেষ করে নিত্যদিন যাঁরা এই রাস্তার উপর দিয়ে যাতায়াত করেন তাঁরাই বেশি সমস্যার মুখে পড়ছিল। তবে গর্তগুলো ভরাট করে দেওয়ায় অনেক কমে যাবে দুর্ঘটনা এবং সুবিধাও হবে যাতায়াতে।"
প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা কার্যত শূন্যে ঝুলছিলেন। একসময় ছেড়ে দিয়েছিলেন বাঁচার আশাও৷ জল না পেয়ে তৃষ্ণা নিবারণের জন্য বোতলের মধ্যে জমিয়ে রেখেছিলেন প্রস্রাবও!
শেষ পর্যন্ত বায়ুসেনা উদ্ধার করার পর দেওঘরের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা সেরে আজ মালদহে ফিরলেন হরিশ্চন্দ্রপুরের ছয় জন ও মানিকচকের দু' জন পর্যটক। সকলের চোখে মুখেই এখনও আতঙ্কের ছবি স্পষ্ট। প্রথমত, ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়া। দ্বিতীয়ত উঁচু পাহাড়ের কোলে কার্যত শূন্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা। মালদহে ফিরে প্রত্যেকে জানিয়েছেন তাঁদের হাড়হিম করা অভিজ্ঞতা।
