পাকিস্তানে রাজনৈতিক সংকট: কীভাবে এই অবস্থা হলো, এরপর কী ঘটবে

 পার্লামেন্টে অনাস্থা প্রস্তাব এনে তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা আটকে দিয়েছিলেন ডেপুটি স্পীকার। এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যে শুনানি এখন চলছে- তার রায়ের ওপরই নির্ভর করছে মিস্টার খানের ভবিষ্যৎ।

ইমরান খানের বিরুদ্ধে এই অনাস্থা প্রস্তাবটি আনে বিরোধী দলগুলো, রবিবার এই প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইমরান খানের নিজের দল এই প্রস্তাব আটকে দেয়।

ইমরান খান ২০১৮ সালে নির্বাচনে জিতে প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি দুর্নীতির মোকাবেলা করা এবং অর্থনীতি ঠিক করার কথা বলে প্রচারণা চালিয়েছিলেন।

পাকিস্তানের জনগণের বিরাট অংশের মধ্যে এখনো তার জনপ্রিয়তা আছে। তবে পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে থাকায় এবং বিদেশি দেনার বোঝা আকাশচুম্বী হওয়ার প্রেক্ষাপটে অর্থনীতিতে যে সংকট দেখা দেয়, তার কারণে মিস্টার খানের সমর্থন অবশ্য ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।

গত ৩ এপ্রিল বিরোধী দলের এমপিরা ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেন, উদ্দেশ্য তাকে ক্ষমতা থেকে সরানো। বিরোধীরা আশা করছিল, পার্লামেন্টে যেহেতু তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ, তাই কাজটা সফল হবে।

কিন্তু সেদিন নাটকীয় মোড় নেয় ঘটনা। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরি দ্রুত এই প্রস্তাব আটকে দেন। তিনি বলেন, সরকার ফেলে দেয়ার জন্য 'একটা বিদেশি রাষ্ট্রের' সঙ্গে 'পরিষ্কার আঁতাত' দেখা যাচ্ছে।


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url